মিয়া খলিফার নিল ছবির তারকা হয়ে ওঠার ইতিহাস ও বর্তমান অবস্থা, মিয়া খলিফার জীবনী

মিয়া খলিফার নিল ছবির তারকা হয়ে ওঠার ইতিহাস ….. , মিয়া খলিফার জীবনী

মিয়া খলিফাকে চেনে না এমন লোকের সংখ্যা কম। নিল ছবির তারকা হওয়ার পরের খবর সবার জানা থাকলেও কীভাবে তিনি নীল পর্দায় আসলেন তা অনেকেরই অজানা। মিয়া খলিফা নিল ছবি ছাড়াও কাজ করেছেন ওয়েবক্যাম মডেল এবং প্রাপ্তবয়স্ক মডেল হিসিবে। মিয়া খলিফা ২০১৪ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত নিল ছবির অভিনেত্রী হিসেবে সংক্ষিপ্ত কর্মজীবনের জন্য পরিচিত। অনেকেই নিয়মিত নেটে অনুসন্ধান করেন মিয়া খলিফার ইতিহাস, মিয়া খলিফার জীবনী, মিয়া খলিফার ধর্ম, মিয়া খলিফার পরিচয়, মিয়া খলিফার বর্তমান অবস্থা ইত্যাদি নিয়ে।

মিয়া খলিফা [ Mia Khalifa, New ]
মিয়া খলিফা [ Mia Khalifa, New ]

মিয়া খলিফার জন্ম ও বেড়ে ওঠা :

মিয়া খলিফার জন্ম ১৯৯৩ সালের ফেব্রুয়ারি ১০ বৈরুতে।  তার আরবি নাম ميا خليفة‎‎ । বৈরুতে জন্ম পরবর্তীতে দশ বছর বয়সে, দক্ষিণ লেবাননের দ্বন্দ্বের জোরে জানুয়ারি ২০০১ সালে পরিবারের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তরিত হন।

মিয়া খলিফার ধর্ম:

তার পরিবার ছিল ক্যাথলিক খ্রিস্টান। সে সেই ক্যাথলিক খ্রিস্টান ধর্মের অধীনে “অত্যন্ত রক্ষণশীল” পরিবারে বেড়ে উঠে। তবে  পরবর্তীতে সে ক্যাথলিক খ্রিস্টান ধর্ম আর পালন করেনি।

মিয়া খলিফার লেখাপড়া:

সে বৈরেুতের একটি ফরাসি বেসরকারি বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করতো। যেখানে থাকা অবস্থায় সে ইংরেজি শিখেছিলেন। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রে চলে আসার পর সে মন্টগোমেরি কাউন্টি, মেরিল্যান্ডে বসবাস শুরু করে। ভর্তি হয় সেখানকার উচ্চ বিদ্যালয়ে। লেখাপড়ার পাশাপাশি সে ল্যাক্রোসি বাজাতো। খলিফা “সেখানকার সবচেয়ে কৃষ্ণাঙ্গ এবং অদ্ভুত মেয়ে” হিসেবে উচ্চ বিদ্যালয়ে উত্যক্তির শিকার হওয়ার কথা বলেছেন, যা ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পরে তীব্রতর হয়ে উঠেছিল।

ম্যাসানুনটেন মিলিটারি একাডেমিতে ক্ষণ্ডকালীন পড়াশোনার পর খলিফা কলেজ পড়ার জন্য টেক্সাসে চলে যায়। কয়েক বছর পর ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট এল পাসো থেকে ইতিহাস বিষয়ে বিএ ডিগ্রি নেয়।

মিয়া খলিফা [ Mia Khalifa, New ]
মিয়া খলিফা [ Mia Khalifa, New ]

মিয়া খলিফার নিল ছবির তারকা হয়ে ওঠা :

আগেই উল্লেখ করেছি খলিফা তার রং এবং চেহারার জন্য নানা রকম বর্ণবানের শিকার হয়েছিলো। সেটা তার মনে গভীর রেখাপাত করে। সেই কারণেই নিজেকে গুটিয়ে রাখতেন ক্যাম্পাস জীবনে। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় পড়ায় যতদুর সম্ভব মনোযোগ দেবার চেষ্টা করছিল। এসময় একদিন হঠাৎ একদিন তার মনে হলো আত্ম-সম্মান বোধের ঘাটতি রয়েছে তার। পাশাপাশি আত্মবিশ্বাস অনেক কমে গেছে।

এই ভাবনা থেকেই, সমস্যা সমাধানে ব্যায়াম করা শুরু করলো খলিফা। ওজন কমালো ৫০ পাউন্ড। কিন্তু তাতেও মন শান্ত হচ্ছিল না। মনে হতে সে দেখতে যথেস্ট আকর্ষনিয় নয়। এরপর সার্জারি করিয়ে বড় করলে স্তনের আকার। তবু মনে হচ্ছিলো তেমন  কোনো উন্নতি হয়নি।

একদিন তাকে নিল ছবির অভিনয়ের প্রস্তাব দেন এক মার্কিন পরিচালক। বুঝে না বুঝে রাজি হয়ে যান মিয়া। ভেবেছিলেন এতে বাড়বে আত্ম-সম্মান বোধ, আত্ম-বিশ্বাসও।

মিয়া খলিফা [ Mia Khalifa, New ]
মিয়া খলিফা [ Mia Khalifa, New ]
মিয়া খলিফা বলেন, প্রথমদিন  নিল ছবি অভিনয় করার পর একই সঙ্গে লজ্জা ও অপরাধবোধ কাজ করছিল। একই সঙ্গে মনে হচ্ছিলো আমি ঠিক করেছি। তখন আমি আসলে ২১ বছর বয়সী একটা গাধা ছিলাম।

ইউটিউবে জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘ফরওয়ার্ড’ এর উপস্থাপক ল্যান্স আর্মস্ট্রংকে এসব কথা জানিয়েছেন লেবানিজ বংশোদ্ভূত মার্কিন নিল ছবির তারকা মিয়া খলিফা।

তিনি জানান, প্রথম দিন অভিনয়ের পর খুব বেশি বিচলিত হননি। ভেবেছিলেন কোম্পানির বাইরে কেউ তার নিল ছবি গুলো খুঁজে পাবে না। কিন্তু পরে হঠাৎ চারদিক থেকে সাড়া হয়ে ভটকে যান।

মিয়া খলিফা জানান, তিনি এমনটা ভেবেছিলেন কারণ সে সময় পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো অ্যাকাউন্টই ছিল না তার।

অক্টোবর ২০১৪ সালে নিল ছবির চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন এবং ডিসেম্বরে ওয়েবসাইট তালিকায় শীর্ষ স্থানে অবস্থান নেন। তার পেশা নির্বাচন মধ্যপ্রাচ্যে বিতর্কের বিষয় হয়েছিল, বিশেষ করে একটি ভিডিও, যেখানে তিনি ইসলামিক হিজাব পরিহিত অবস্থায় যৌনকর্ম সঞ্চালন করেছিলেন।

মিয়া খলিফা [ Mia Khalifa, New ]
মিয়া খলিফা [ Mia Khalifa, New ]

মিয়া খলিফার নিল ছবির পেশা:

কলেজে অধ্যয়নের সময় খলিফা বারটেন্ডার হিসাবে কাজ তো এবং কিছু মডেলিংয়ের কাজও করেছিলো। সে ডিল অ্যান্ড নো ডিল-এর মতোন স্থানীয় স্পেনিয় ভাষার টেলিভিশন গেম শোতে “ব্রিফকেস গার্ল” হিসাবে অভিনয় করেছিল। স্নাতক শেষ করার পরে, সে মিয়ামিতে চলে আসেন এবং নগ্ন মডেলিংয়ে কাজ করার জন্য তটস্থ হয়ে পড়ে।

২০১৪ সালের অক্টোবরে, খলিফা নিল ছবির চলচ্চিত্র শিল্পে প্রবেশ করে। মিয়ামিতে হেটে বেড়ানোর সময় তাকে জিজ্ঞেস করা হয় যে, সে নিল চলচ্চিত্রে কাজ করতে আগ্রহী কি না। হিজাব পরিহিত অববস্থায় থ্রি-সামকালীন একটি ব্যাং-ব্রোস দৃশ্যে অভিনয়ের কারণে সে ব্যাপকভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। এই দৃশ্যটি খলিফাকে তাৎক্ষণিক জনপ্রিয়তার পাশাপাশি লেখক এবং ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সমালোচনার মুখোমুখি হয়।

মিয়া খলিফা [ Mia Khalifa, New ]
মিয়া খলিফা [ Mia Khalifa, New ]
দৃশ্যটির প্রযোজক বলেছিলেন, “আমরা [খলিফার জাতিগোষ্ঠীত্ত্ব] সুযোগের সদব্যবহার করার চেষ্টা করছিলাম না। আমরা এটি অভিষঙ্গ বা প্রপ করতে চেয়েছিলাম। যদিও এর নেতিবাচকতা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। এক্সহ্যামস্টারের বিপণনের ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যালেক্স হকিন্স বলেছিলেন, “আরব বিশ্বে যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল তা কিছুটা ‘স্ট্রাইস্যান্ড এফেক্ট’ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। হঠাৎ, সবাই খলিফার সার্চ করছিল। তাকে সেন্সরের প্রচেষ্টা তাকে আরো সর্বব্যাপী করে তুলেছিল।” ২০১৫ সালের হিসেবে, ১.৫ মিলিয়নেরও অধিক দর্শকসংখ্যার পাশাপাশি, ২২ বছর বয়সী খলিফা প্রাপ্তবয়স্ক ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইটের সর্বাধিক অনুসন্ধানকৃত মডেল হিসেবে উন্নীত হয়। সে বছর ২৮ ডিসেম্বরে তাদের ওয়েবসাইটে নাম্বার ১ স্থানে খলিফার নাম প্রকাশ করে বহুদর্শী লিসা অ্যানের পরিবর্তে।

তার এ খ্যাতি মধ্যপ্রাচ্যের রক্ষণশীল জনমনে কঠোর সমালোচনার ঝড় ওঠে। যেখানে তার পেশাজীবন লজ্জাকর ও কলঙ্কময় বলে মনে করা হয়। যে কারণে নিজ দেশেও খলিফার সম্মানহানি ঘটে।  শীর্ষস্থান অধিকারের পরপর সে অনলাইন মৃত্যুর হুমকি পেতে থাকে। হুমকি দাতাদের মধ্যে ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড দ্য লেভান্টের একটি হস্তনির্মিত ছবিতে তাকে শিরচ্ছেদের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে এমন দেখানো হয়। একটি সতর্কবার্তায় তাকে নরকে যেতে হবে বলেও দাবী জানাো হয়, যার জবাবে সে বলে -“আমি সম্প্রতি একটু চিন্তিত”। লেবানিয় সংবাদপত্র খলিফার সমালোচনা করে অনেক লেখালেখি করা হয়। তবে সেটা সে দেশের অন্যান্য ঘটনাগুলির তুলনায় তুচ্ছ বলে মনে করে।

দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক সাক্ষাৎকারে, খলিফা বলে – বিতর্কিত দৃশ্যটি ছিল বিদ্রুপাত্মক এবং এটি সেভাবেই গ্রহণ করা উচিত। সে দাবী করে – হলিউড চলচ্চিত্র যে কোনো নিল ছবির তুলনায় অনেক বেশি নেতিবাচক ভাবে ইসলামকে চিত্রিত করা হয়ে থাকে।

মিয়া খলিফা [ Mia Khalifa, New ]
মিয়া খলিফা [ Mia Khalifa, New ]
যারা সর্বজনীনভাবে খলিফার প্রাপ্তবয়স্ক পরিবেশনকারী হয়ে উঠার সিদ্ধান্তে সমর্থন জানাতে মুখ খোলেন তাদের মধ্যে ছিলেন ব্রিটিশ-লেবানিয় লেখক নাসরি আতাল্লাহ, যিনি বিবৃতি দেন, “এই নৈতিক আবেগ… দুটি কারণের জন্য ভুল। প্রথম এবং সর্বাগ্রে, একজন নারী হিসেবে, তিনি তার শরীরের সঙ্গে যে কোনো কিছু করার অধিকার রাখেন। একজন সংবেদনশীল মানুষ হিসাবে, যিনি বিশ্ব জুড়ে অর্ধেক বাস করে, তিনি তার নিজের জীবনের দায়িত্বে রয়েছেন এবং যে দেশে তিনি জন্মগ্রহণ করেছেন সেখান থেকে একেবারে কিছুই পান নি তিনি”।

নিজের বিতর্ক সম্পর্ক খলিফা মন্তব্য করেছিল: “লেবাননে নারীদের অধিকারকে গুরুত্বের সাথে নেওয়া অনেক দূরের ব্যপার, যেখানে একজন লেবানিয়-মার্কিন নিল ছবির তারকা বাস করতে পারে না। একসময় আমি মধ্যপ্রাচ্যের সর্বাধিক পশ্চিমা দেশ হিসাবে কীভাবে মানুষকে গর্বিত করেছিলাম তা এখন ধ্বংসাত্মকভাবে সেকেলে ও নিপীড়িত হিসাবে দেখি। তাছাড়াও সে বলে, তার পেশা নির্বাচনের কারণে তার বাবা তার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছেন।

সর্ববৃহৎ নিল ছবির ওয়েবসাইট থেকে প্রাপ্ত উপাত্ত অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ৩-৪ জানুয়ারি, মিয়া খলিফাকে সার্চ করে খোঁজার সংখ্যা পাঁচ দফা বাড়ে। যার এক চতুর্থাংশ অনুসন্ধানকারী ছিলেন লেবানন থেকে, মূল অনুসন্ধানকারী ছিল মধ্যপ্রাচ্যের সিরিয়া এবং জর্দানের কাছাকাছি অঞ্চল থেকে।

মিয়া খলিফা [ Mia Khalifa, New ]
মিয়া খলিফা [ Mia Khalifa, New ]

হিজাব সম্পর্কিত বিতর্ক:

হিজাব সম্পর্কিত বিতর্কের কারণে, জুলাই ২০১৬ সালে, তিনি ব্রিটিশ পুরুষ ম্যগাজিন লোডেড কর্তৃক তাদের “দা ওয়ার্ল্ড’স টেন মোস্ট নটোরিয়াস নিল ছবির” তালিকায় পঞ্চম স্থানে অবস্থান পায়। আলমাজা, নামে লেবানিয় ব্রিউয়ারি, খালিফার স্বাক্ষরযুক্ত গ্লাসের পাশে তাদের বিয়ারের বোতল দেখিয়ে একটি বিজ্ঞাপন চালিয়েছিল, এই স্লোগান সহ: “আমাদের উভয়কেই ১৮+ রেট দেওয়া হয়েছে।” ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে পপ ব্যান্ড টাইমফ্লাইস তাকে শ্রদ্ধা জানাতে “মিয়া খলিফা” শিরোনামের একটি গান প্রকাশ করে।

২০১৫ সালের জানুয়ারিতে, খলিফা প্রতি মাসে একাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ব্যাং ব্র্রসের মূল কোম্পানির সাথে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। যদিও, দুই সপ্তাহ পরে, সে মত পরিবর্তন করে এই চুক্তি ত্যাগ করে। বিশ্বব্যাপী তার প্রতি নেতিবাচক মনোভাব তাকে এই শিল্প ত্যাগ করতে প্ররোচিত করেছিল। সে বলে “”এটি আমার জন্য দৃষ্টি-উন্মোচন ছিল। আমি এর কোনটিই চাই না, এটি ইতিবাচক বা নেতিবাচক হোক— যদিও এগুলির সবই নেতিবাচক ছিল। আমার বন্ধুবান্ধব ও পরিবার এবং সম্পর্ক কীভাবে ভুগছে সে সম্পর্কে আমি এ নিয়ে খুব বেশি ভাবিনি।”

২০১৬ সালের জুলাইয়ে, দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক সাক্ষাৎকারে, খলিফা জানায় সে কেবল তিন মাসের জন্য নিল ছবির অভিনয় করেছিল এবং এক বছরের আগেই “স্বাভাবিক কাজে” যুক্ত হতে নিল ছবি ছেড়ে দিয়েছিল। সে আরও বলে, “এটা আমার বিদ্রোহী পর্যায় ছিল বলে মনে করি। এটা সত্যিই আমার জন্য ছিল না। আমি ধীরে-ধীরে নিজেকে এর থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে চেষ্টা করি।” ২০১৬ সালের মে মাসের হিসাবে, খলিফা একজন ওয়েবক্যাম মডেল হিসেবে কাজ করছে।

২০১৭ সালের জানুয়ারিতে, এক্সহ্যামস্টার প্রতিবেদন করেছে যে খলিফা ২০১৬ সালের সর্বাধিক অনুসন্ধানকৃত প্রাপ্তবয়স্ক অভিনেত্রী ছিলেন। ২০১৮ সালে, নিল ছবি শিল্প ছাড়ার তিন বছর পরেও তিনি ওয়েবের টপ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন। ২০১৯ সালের আগস্টে, সে প্রকাশ করেছিলেন যে, সে কেবল নিল ছবির শিল্পে কাজ করে মার্কিন $১২,০০০ ডলার উপার্জন করেছিলেন, এবং ওই একটি নিল ছবির ওয়েবসাইট ছাড়া অন্য কোনও সাইট থেকে সে কখনই বাড়তি আয় গ্রহণ করেন নি।

মিয়া খলিফা [ Mia Khalifa, New ]
মিয়া খলিফা [ Mia Khalifa, New ]

নিল ছবি পরবর্তীতে খলিফার কর্মজীবন:

নিল ছবিতে কর্মজীবন থেকে অব্যহতী নেবার পর, খলিফা মিয়ামিতে প্যারালিগাল এবং বুককিপার হিসাবে কাজ করে। একজন সামাজিক মাধ্যম ব্যক্তিত্ব হিসাবে সে তিনি নিজেকে প্রকাশ করেন, পাশাপাশি ওয়েবক্যাম মডেল এবং ক্রীড়া ভাষ্যকার হিসাবে কর্মজীবন শুরু করে। সে একটি ইউটিউব চ্যানেল পরিচালনা করে; টুইচ লাইভ স্ট্রিমস এবং ওয়েবক্যাম মডেল হিসাবে পরিবেশন করে। সদস্যতা ওয়েবসাইট প্যাট্রিয়নে আলোকচিত্র শুট, পণ্যদ্রব্য এবং একচেটিয়া সামগ্রীতে এক্সেসস বিক্রি করে; এবং সামাজিক মাধ্যম ওয়েবসাইট ফাইন্ড্রোতে সুব্যক্ত আলোকচিত্র শুট এবং ভিডিও বিক্রয়ে নিয়োজিত হয়। সে এবং গিলবার্ট অ্যারেনাস কমপ্লেক্স নিউজের ইউটিউব চ্যানেলের ২০১৭ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দৈনিক ক্রীড়া অনুষ্ঠান আউট অব বাউন্ডস সঞ্চালনের দ্বায়িত্বে ছিলো।

টাইলার কো-এর পাশাপাশি খলিফাকে স্পোর্টসবল-এর সহ-আয়োজক হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছিল, যেটির দ্বিতীয় মরসুমের ২০১৮ সালের ১৬ জুলাই এককভাবে রোস্টারটিথে প্রচারিত হয়েছিল। এর চূড়ান্ত পর্বটি ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর প্রকাশিত হয়েছিল।

২০১২ সালের বিবিসির হার্ডটালকের এক সাক্ষাৎকারে খলিফা নিল ছবির শিল্প এবং এর গোপনীয়তার ক্ষতির বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখে।

মিয়া খলিফা [ Mia Khalifa, New ]
মিয়া খলিফা [ Mia Khalifa, New ]

মিয়া খলিফার ব্যক্তিগত জীবন :

আঠারো বছর বয়সে, ২০১১ সালের ফ্রেব্রুয়ারিতে খলিফা তার বিদ্যালয়ের প্রেমিককে বিয়ে করে। সে ছিলো একজনমার্কিন নাগরিক। ০১৪ সালে তাদের সম্পর্কে বিচ্ছেদ ঘটে এবং ২০১৬ সালে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। খলিফার শরীরে লেবাননের জাতীয় সঙ্গীতের প্রথম লাইন এবং লেবানিয় ফোর্সেস ক্রুশের উল্কি রয়েছে।

২০১৯ সালের দিকে খলিফা সুয়েডিয় রন্ধনশিল্পী রবার্ট স্যান্ডবার্গের সাথে প্রণয়ে আবদ্ধ হয়। সে বছরের ১২ মার্চে তাদের বাগদান সম্পন্ন হয়। এই সম্পতি তাদের বিবাহের পরিকল্পনা থাকলেও, ২০১৯-২০ করোনাভাইরাস সংকটের কারণে তাদের বিবাহ স্থগিত করেছে।

মিয়া খলিফার বর্তমান অবস্থা:

বর্তমানে খলিফা লস অ্যানঞ্জেলেসে বাস করছেন।

 

মন্তব্য করুন