সরকারি তথ্যবিবরণী [ ১৫৩৩ – ১৫২৭] – তথ্য অধিদফতর

সরকারি তথ্যবিবরণী [ ১৫৩৩ – ১৫২৭] – তথ্য অধিদফতর

সরকারি তথ্যবিবরণী [ ১৫৩৩ - ১৫২৭] - তথ্য অধিদফতর
তথ্য অধিদফতর

Table of Contents

সরকারি তথ্যবিবরণী নম্বর : ১৫৩৩

বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রা শুরু করেছিলেন বঙ্গবন্ধু —— পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

বরিশাল, ১৩ চৈত্র (২৭ মার্চ) :

বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রা শুরু করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা আজ তারই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

আজ বরিশাল জেলা স্কুল প্রাঙ্গণে আয়োজিত ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী: স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল বাংলাদেশ’ উদ্যাপন উপলক্ষে উন্নয়ন মেলার আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এসব কথা বলেন।

জাহিদ ফারুক, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী
জাহিদ ফারুক, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

বরিশালের জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ সাইফুল হাসান বাদল, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান।

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ আজ দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের গর্ব করা উচিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতো একজন নেত্রী পেয়েছি। বঙ্গবন্ধু যে স্বপ্ন দেখেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা সে স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে দেখাচ্ছেন। দেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে ‘৪১ সালের আগেই বাংলাদেশ সমৃদ্ধিশালী দেশে উন্নীত হতে পারবে।

আলোচনা সভার পূর্বে ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী: স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল বাংলাদেশ’ উদ্যাপন উপলক্ষে আয়োজিত র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন অতিথিরা। এর আগে তারা বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। আলোচনাসভা শেষে উন্নয়ন মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী।

#

আসিফ/রোকসানা/সাহেলা/সঞ্জীব/সেলিম/২০২১/১৯৪৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর : ১৫৩২

স্বাধীনতা বিরোধীরা এখনো ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে ———জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১৩ চৈত্র (২৭ মার্চ) :

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছেন, স্বাধীনতা বিরোধীরা এখনো এ দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।

আজ ঢাকায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ কৃষক লীগ, ঢাকা মহানগর উত্তর আয়োজিত আলোচনা সভা এবং দরিদ্র কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

ফরহাদ হোসেন, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
ফরহাদ হোসেন, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

প্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা এদেশের স্বাধীনতা চায়নি, তারা দেশের সাফল্যে ঈর্ষান্বিত। তারা বিভিন্নভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, যাতে দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা থামিয়ে দেয়া যায়। তারা দেশ ও জনগণের কল্যাণ চায় না। এই ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

ফরহাদ হোসেন বলেন, সবাইকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে দেশের উন্নয়নে কাজ করে যেতে হবে। জাতির পিতার আদর্শে কাজ করে যেতে পারলে দেশকে দ্রুত উন্নত—সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করা সম্ভব। তাই জাতির ভবিষ্যতের কথা ভেবে বঙ্গবন্ধুর নীতি ও আদর্শে অনুপ্রাণিত নেতৃত্ব তৈরির জন্য কাজ করতে হবে।

এ সময় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম বিনামূল্যে সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ—সভাপতি মোঃ মাকসুদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দ্র ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপি বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

#

শিবলী/রোকসানা/সাহেলা/রফিকুল/আব্বাস/২০২১/১৯০৮ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর : ১৫৩১

কোনো অপশক্তিকে প্রশ্রয় দেয়া হবে না ———খাদ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ১৩ চৈত্র (২৭ মার্চ) :

যারা উন্নয়নের সমালোচনা করে তারা দেশকে অস্থিতিশীল করার কাজে লিপ্ত। কোনো অপশক্তিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না, সব অপশক্তিকে দমন করা হবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি বলেন, কালোকে কালো ও সাদাকে সাদা বলতে হবে। ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেওয়া হবে না।

আজ নওগাঁ জেলার পোরশা উপজেলা চত্বরে উন্নয়ন মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ঢাকার বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সাধন চন্দ্র মজুমদার, খাদ্যমন্ত্রী
সাধন চন্দ্র মজুমদার, খাদ্যমন্ত্রী

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন উপলক্ষে ‘বাংলাদেশ এক অনন্য অর্জন: স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ’ প্রতিপাদ্যের আলোকে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পোরশাতে মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় থাকলে ভবিষ্যতে দেশের আরো উন্নয়ন হবে। আওয়ামী লীগ সরকার দেশের সব ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন করেছে, যা অতীতের কোনো সরকার করতে পারেনি।

পোরশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হামিদ রেজার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ শাহ্ মঞ্জুর মোরশেদ চৌধুরী, কৃষি কর্মকর্তা মাহফুজ আলমসহ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন উপলক্ষে এক আনন্দ শোভাযাত্রা উপজেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শিশুপার্ক চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

#

সুমন/রোকসানা/সাহেলা/রফিকুল/আব্বাস/২০২১/১৮৫৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর : ১৫৩০

বঙ্গবন্ধুর জ্ন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে অংশ নিয়ে অতিথিরা বাংলাদেশকে সম্মানিত করেছেন ———নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

সেতাবগঞ্জ (দিনাজপুর), ১৩ চৈত্র (২৭ মার্চ) :

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর রাষ্ট্র প্রধান ও সরকার প্রধানগণ স্বশরীরে এসে বাংলাদেশকে সম্মানিত করেছেন।

তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন এবং অগ্রগতির জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র প্রধান ও সরকার প্রধানগণ বাংলাদেশকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন। এই অগ্রযাত্রার উদ্যাপনে অংশগ্রহণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

প্রতিমন্ত্রী আজ দিনাজপুরের সেতাবগঞ্জ শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ‘স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল বাংলাদেশ কর্মসূচি’র’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। বোচাগঞ্জ উপজেলা পরিষদ অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের অর্থনীতির যে ভিত্তি রচনা করে দিয়েছিলেন, সেই ভিত্তির উপরে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে নিয়ে গেছেন। একই ধারায় বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ছন্দা পালের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বোচাগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ জাফরুল্লাহ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফছার আলী, সেতাবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আব্দুস সবুর প্রমুখ।

#
জাহাঙ্গীর/রোকসানা/সাহেলা/রফিকুল/আব্বাস/২০২১/১৯২০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর : ১৫২৯

বিশৃঙ্খলাকারীদের হুঁশিয়ারি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর সরকারের নমনীয়তাকে দুর্বলতা ভাববেন না

ঢাকা, ১৩ চৈত্র (২৭ মার্চ) :
‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিব শতবর্ষে বাংলাদেশের সাথে একাত্মতা জানাতে আসা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলা কঠোর হস্তে দমন করা হবে’ বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

আজ রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাবে সত্যম রায়চৌধুরী সম্পাদিত ‘বঙ্গবন্ধু ফর ইউ’ (ইধহমধনধহফযঁ ঋড়ৎ ণড়ঁ) গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সমসাময়িক প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দিন ২৬শে মার্চ যেদিন বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল, সেদিন তারা স্বাধীনতা দিবস পালন না করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনকে কেন্দ্র করে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করেছে, বিশৃঙ্খলা করেছে।’

ড. মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী
ড. মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

‘ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আগমনের সাথে রেলস্টেশন, ভূমি অফিস জ্বালিয়ে দেয়ার কি সম্পর্ক, থানায় কেনো আক্রমণ করা হলো’ প্রশ্ন রেখে মন্ত্রী বলেন, ‘এরা দুষ্কৃতকারী। এরা আমাদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, শান্তি, স্থিতি, সম্প্রীতির শত্রু। আমরা যদি এদের খবরাখবর নিই, দেখা যাবে এদের অনেকেরই বাপ—দাদারা রাজাকার ছিল। যারা আজকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বড় গলায় কথা বলে, তাদের বাপ—দাদাদের ভূমিকার খবর নিন, দেখা যাবে তারা অনেকেই একাত্তরে যুদ্ধের সময় পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছিল, আমাদের দেশে নারী নির্যাতন, গণহত্যার সাথে যুক্ত ছিল।’

দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ড. হাছান মাহ্মুদ বলেন, ‘সরকারের নমনীয়তাকে কেউ দুর্বলতা ভাববেন না। এধরনের অপচেষ্টা সরকার কঠোর হস্তে দমন করতে বদ্ধপরিকর। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গরম বক্তৃতা দিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবেন, সেটি আর বরদাশত করা হবে না। এবং যারা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন না করে এধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবেন, তাদের মূলোৎপাটন করতে সরকার বদ্ধপরিকর।’

মন্ত্রী বলেন, ‘যে ভারত ১৯৭১ সনে আমাদের এক কোটি মানুষকে আশ্রয় দিয়েছে, যে ভারতের মানুষ আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে তাদের রক্তও ঝরিয়েছে, যে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতা আর বঙ্গবন্ধুর মুক্তির জন্য বিশ্ব জনমত গড়তে সমগ্র পৃথিবী চষে বেড়িয়েছেন, সেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদি এসেছেন। কোনো দলের নেতা হিসেবে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বা তিনি কোনো দলের নেতা হিসেবেও আসেননি। অথচ, এই নিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হয়েছে।’

অতীতের দিকে নির্দেশ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আজকে যারা এই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে, সেই একই গোষ্ঠী ২০১৩—১৪—১৫ সালে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিল এবং তাদের সাথে ছিল বিএনপি। সেই বিশৃঙ্খলা আমরা মোকাবিলা করেছি, আমাদের অভিজ্ঞতা আছে। সুতরাং আবার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাবেন না।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আমরা জানি আপনারা কারা, আপনারা বায়তুল মোকাররমে আগুন দিয়েছিলেন, পবিত্র কোরান শরীফ পুড়িয়েছিলেন, গাছপালা কেটেছিলেন, নিরীহ গরুর ওপর, মুরগীবাহী গাড়ির ওপর বোমা ছুঁড়েছিলেন, পশুপাখিও আপনাদের হাত থেকে রেহাই পায়নি। আবার এটি করার চেষ্টা করলে আমরা কঠোর হস্তে দমন করতে বদ্ধপরিকর।’

অনুষ্ঠানের আয়োজক সংগঠন ‘ফ্রেন্ডস অভ্ বাংলাদেশ’ এর প্রধান সমন্বয়ক এ এস এম শামছুল আরেফিনের সভাপতিত্বে সংগঠনের সদস্য পংকজ দেবনাথ, সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি ড. রাধা তমাল গোস্বামী, দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, গ্রন্থটির সম্পাদক সত্যম রায়চৌধুরী, প্রকাশক দীপ প্রকাশনের শংকর মন্ডল, কলামিস্ট সুভাষ সিংহ রায় প্রমুখ গ্রন্থটির নানাদিক তুলে ধরেন।

ইংরেজি ভাষায় প্রণীত ৬১৬ পৃষ্ঠার ১২ অধ্যায়ের ‘বঙ্গবন্ধু ফর ইউ’ গ্রন্থে বঙ্গবন্ধুর কারাগারের রোজনামচা এবং বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লেখা ভূমিকা সন্নিবেশিত রয়েছে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহ্মুদ বইটির সম্পাদক, প্রকাশক ও অনুষ্ঠান আয়োজকদের আন্তরিক অভিনন্দন জানান এবং বঙ্গবন্ধুকে জানার ক্ষেত্রে সহায়ক এই বইটি ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

#
আকরাম/রোকসানা/সাহেলা/সঞ্জীব/আব্বাস/২০২১/১৮৪০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর : ১৫২৭

ঢাকা জিপিও’তে বঙ্গবন্ধুর ওপর প্রকাশিত ডাকটিকেট প্রদর্শনী

ঢাকা, ১৩ চৈত্র (২৭ মার্চ) :

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর ওপর প্রকাশিত স্মারক ডাকটিকেট প্রদর্শনী আজ ঢাকা জিপিওতে শুরু হয়েছে। ডাক অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ ফিলাটেলিক সংগঠনসমূহ এই প্রদর্শনীর আয়োজন করে। বছরব্যাপী পর্যায়ক্রমে দেশের সকল গুরুত্বপূর্ণ ডাকঘরে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে বলে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার জানান।

মন্ত্রী আজ ভার্চুয়ালি ঢাকা জিপিওতে বঙ্গবন্ধুর ওপর প্রকাশিত স্মারক ডাকটিকেট প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। এসময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো: আফজাল হোসেন, ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: সিরাজ উদ্দিন এবং বাংলাদেশ ফিলাটেলিক সংগঠনসমূহের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মোস্তাফা জব্বার, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী
মোস্তাফা জব্বার, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

মন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর ওপর প্রকাশিত স্মারক ডাকটিকেটসমূহকে অতি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক সম্পদ উল্লেখ করে বলেন, ডাকটিকেটকে বাণিজ্যিক উপাদান হিসেবে দেখি না। ডাকটিকেট ইতিহাসের সাক্ষী। এটি ব্যক্তি দেশ, জাতি, যুগ ও সভ্যতার প্রকাশ ঘটায়। আমাদের ডাকটিকেট বিশ্বের ৩৫ কোটি বাংলা ভাষাভাষী মানুষের জীবন জীবীকার ইতিহাস ঐতিহ্য প্রকাশ করছে।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, আগামী দিনের সমৃদ্ধ জাতি বিনির্মাণের শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ তাদের হৃদয়ে ধারণ করাতে উদ্যোগ নিতে হবে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তর বঙ্গবন্ধুর ওপর প্রকাশিত স্মারক ডাকটিকেট থেকে বাঙালির মহামানব সম্পর্কে সহজে জানতে পারবে। এই তাগিদ থেকেই মুজিব জন্মশতবর্ষ উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর ওপর প্রকাশিত ডাকটিকেট প্রকাশনার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর জীবনের অনেক অজানা অধ্যায় ধারণ করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, মুজিবনগর সরকার প্রকাশিত স্মারক ডাকটিকিট স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় অস্তিত্ব প্রকাশে অবিস্মরণীয় ভূমিকা রেখেছে। একাত্তরের ২৯ জুলাই মুজিবনগর সরকার এবং যুক্তরাজ্যের হাউজ অব কমন্স থেকে প্রকাশিত ভারতীয় নাগরিক বিমান মল্লিকের ডিজাইন করা ৮টি স্মারক ডাকটিকেট বিশ্বে আমাদের জাতিসত্তা, রাষ্ট্র ও মুক্তিযুদ্ধের প্রতিফলন ঘটিয়েছে।
#

শেফায়েত/পরীক্ষিৎ/জুলফিকার/কামাল/রেজ্জাকুল/আসমা/২০২১/১৬০০ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী নম্বর : ১৫২৫

জাতিসংঘ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপিত

নিউইয়র্ক, ২৭ মার্চ :

বিগত পাঁচ দশকে বাংলাদেশ অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধন করেছে এবং উন্নয়নের বিস্ময়ে পরিণত হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন, জাতিসংঘের প্রতিনিধিসহ অন্যান্য মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিবর্গ।

জাতিসংঘ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এরপর দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। এছাড়া স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেজের ভিডিও বার্তাও পরিবেশন করা হয়।

স্বাগত ভাষণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রদূত ফাতিমা। তিনি বলেন, জাতির পিতার উদাত্ত আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাঙালি জাতি মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। মুক্তিযুদ্ধের ত্রিশ লাখ শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, তাঁদের সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি বহু কাঙ্খিত স্বাধীনতা। ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী ভাষণের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, এই ভাষণই পরবর্তীতে

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির গতিপথ নির্ধারণ করেছিল। ভাষণটিতে জাতিসংঘকে মানুষের ভবিষ্যত আশা—আকাঙ্খা, নির্ভরতা ও বিশ্বাসের কেন্দ্রস্থল হিসেবে তুলে ধরা হয়েছিল।

গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশ যে বিস্ময়কর অগ্রগতি সাধন করেছে তা প্রদত্ত ভিডিও বার্তায় উল্লেখ করেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেজ। বিশেষ করে সামাজিক উন্নয়ন, দূর্যোগ প্রস্তুতি মোকাবিলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাফল্যের কথা উল্লেখ করেন মহাসচিব।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অমূল্য অবদানের কথা তুলে ধরেন গুতেরেজ। বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মানবিক আশ্রয় প্রদান এবং ক্লাইমেট ভারণারেবল ফোরামের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন জাতিসংঘ মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘আমরা জলবায়ু সংকট মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে সবসময়ই বাংলাদেশের পাশে আছি’।

ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমার সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘে নিযুক্ত মরক্কো, আয়ারল্যান্ড, বারবাডোস, ব্রুনেই দারুসসালাম, ওমান, সিয়েরা লিওন, জাপান, ভারত ও সৌদি আরবের স্থায়ী প্রতিনিধিবৃন্দ। বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল, ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক এবং ইউএনডিপির প্রশাসক।

#

পরীক্ষিৎ/জুলফিকার/কামাল/রেজ্জাকুল/আসমা/২০২১/১১৪৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর : ১৫২৪

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শুভেচ্ছা বার্তা ওয়াশিংটন ডিসিতে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতীয় দিবস উদযাপন

ওয়াশিংটন ডিসি, ২৭ মার্চ :

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহের সাথে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন করা হয়েছে। শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম শহিদুল ইসলাম প্রধান অতিথি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মণ্ত্রণালয়ের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মুখ্য উপসহকারী সচিব আরভিন মাসিংগাকে সংগে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর রাষ্ট্রদূত এবং প্রধান অতিথি দূতাবাসে অবস্থিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রর জাতীয় সংগীত বাজানোর পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি ভিডিও বার্তা প্রদর্শিত হয়।

রাষ্ট্রদূত শহীদুল ইসলাম স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি মিয়ানমারের নিপীড়িত রোহিঙ্গা জনগণের প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মানবিক সহায়তা জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রশংসা প্রকাশ করেন। তিনি সমগ্র ইন্দো—প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য নিরাপত্তা হুমকিতে পরিণত হওয়ার আগে প্রলম্বিত রোহিঙ্গা সঙ্কটের একটি স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে নেতৃত্ব প্রদানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানান।

মুখ্য উপসহকারী সচিব আরভিন ম্যাসিঙ্গা বাংলাদেশ সরকার ও জনগণকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইন্দো—প্যাসিফিক অঞ্চলে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশকে দেখছে। তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশ একটি শীর্ষস্থানীয় কণ্ঠস্বর হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশের এই নেতৃত্ব একটি সফল জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন (কপ–২৬) অনুষ্ঠানে অবদান রাখবে ।

রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। এরপর দূতাবাস পরিবারের সদস্যদের পরিবেশনায় একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি সমাপ্ত হয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং ৫০তম জাতীয় দিবসে শুভেচছা জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি প্রেস বিবৃতি প্রদান করেছে। বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিংকেন বলেন ‘একটি নিরাপদ ও সুরক্ষিত অঞ্চল প্রতিষ্ঠা এবং একটি সুস্থ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য আমরা একসাথে কাজ করার ক্ষেত্রে বৈশ্বিক উন্নয়নে বাংলাদেশ যে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে তা অনস্বীকার্য।’

এর আগে মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন বার্তা প্রেরণ করেছেন। শুভেচ্ছা বার্তায় বাইডেন বলেন যে দশ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় প্রদান করে বাংলাদেশ বিশ্বে মানবতা ও উদারতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তিনি আরো বলেন যে সংকটটির স্থায়ী সমাধানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সাথে থাকবে।
#

শাহ আলম/পরীক্ষিৎ/জুলফিকার/কামাল/রেজ্জাকুল/আসমা/২০২১/১৩৩০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর : ১৫২৩

ইসলামাবাদে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতীয় দিবস পালিত

ইসলামাবাদ, ২৭ মার্চ :

পাকিস্তানের ইসলামাবাদস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন যথাযোগ্য মর্যাদা, উৎসব ও আনন্দের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতীয় দিবস উদ্যাপন করেছে। হাইকমিশনের কর্মকর্তা—কর্মচারীবৃন্দ ও ইসলামাবাদে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিগণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

হাইকমিশনার সকলকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ৩০ লক্ষ শহীদ বাঙালির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও বার্তাটি সম্প্রচার করা হয়।

আলোচনা পর্বে বক্তাগণ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য, গুরুত্ব ও বাঙালি জাতির স্বাধীকার আন্দোলনে জাতির পিতার অবদান তুলে ধরেন।

হাইকমিশনার গত এক যুগে বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশ দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়নসহ সবগুলো সূচকে সমানভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধিসহ আর্থ সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ঈর্ষনীয় সাফল্য অর্জন করেছে।

তিনি বলেন, তৈরি পোষাক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধন করে পৃথিবীতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট—১ উৎক্ষেপন করা হয়েছে। পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল, পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দার, কর্ণফুলী টানেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র সবই এখন দৃশমান। তিনি আরও বলেন পৃথক যমুনা রেলসেতুর জন্য পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

তিনি বাংলাদেশ অর্থনেতিক ও সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার সকল দেশকে ছাড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস অতিমারির বিস্তাররোধের পাশাপাশি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু রাখার মাধ্যমে করোনা অতিমারির মধ্যেও বাংলাদেশ ৫ শতাংশের অধিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। এ সকল অর্জন সম্ভব হয়েছে জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাজ্ঞ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে।

বাংলাদেশ সময়ের আগেই সহস্রাদ্ধ লক্ষমাত্রা ও ‘রূপকল্প—২০২১’ বাস্তবায়ন করেছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা অর্জনের মাধ্যমে ‘রূপকল্প—২০৪১’ বাস্তবায়নে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বির্নিমাণে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, অপ্রতিরোধ্য বাঙালি জাতি এ সকল লক্ষ্য অর্জনেও সফল হবে।

সবশেষে তিনি সকল ভেদাভেদ ভুলে যার যার অবস্থানে থেকে একযোগে কাজ করে একটি সমৃদ্ধ ও জ্ঞাননির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মানের আহ্বান জানান।

আলোচনা শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও দেশের স্বাধীনতার জন্য আত্মোৎসর্গকারী বীর শহিদদের আত্মার মাগফেরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
#

জামিল/পরীক্ষিৎ/জুলফিকার/কামাল/রেজ্জাকুল/আসমা/২০২১/১৩৩০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর : ১৫২২

বাংলাদেশ মাহেন্দ্রক্ষণ অতিক্রম করছে  মোস্তাফা জব্বার

ঢাকা, ১৩ চৈত্র (২৭ মার্চ) :

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, স্বাধীন বাংলাদেশের অভিযাত্রায় বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার ৫০ বছর উদ্যাপনের মধ্য দিয়ে এক মাহেন্দ্রক্ষণ অতিক্রম করছে বাংলাদেশ। সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপনের সময়ে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ এবং বাংলাদেশ সম্পর্কে বিশ্ব নেতাদের মূল্যায়ন বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নের অগ্রগতির প্রতিফলন। জাতি হিসেবে এই প্রাপ্তি বিস্ময়কর বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী গতকাল বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত আন্তর্জাতিক ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর মো: মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ভারতের কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুখেন বিশ্বাস, উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মঞ্জুলা বেরা এবং অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ও অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন অধ্যাপক শোয়াইব জিবরান।

বঙ্গবন্ধু একটি মানবিক কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য সারাজীবন আন্দোলন করেছেন এবং মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা ঠিক এটিই উল্লেখ করে মোস্তাফা জব্বার বলেন, চেগুয়েভার, মাওসেতুং, হুচিমিন, লেলিন কিংবা কার্লমাক্সকে জীবনে অধ্যয়ন করেছি। এসব অধ্যয়নের ফলাফল মূল্যায়ন করে আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি বঙ্গবন্ধু ছিলেন অদ্বিতীয়।

মোস্তাফা জব্বার, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী
মোস্তাফা জব্বার, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষার কবর রচনা করতে চেয়েছিল স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি। স্বাধীনতার ৫০ বছরের মধ্যে ২৯ বছর স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি এদেশের ক্ষমতায় থেকে দেশের অগ্রগতি কেবল ব্যাহতই করেনি দেশকে পাকিস্তান বানানোর পায়তারা করে। পঁচাত্তর পরবর্তী দীর্ঘ ২১ বছর পর ক্ষমতায় এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে রাষ্ট্রব্যবস্থার রূপরেখা দাঁড় করান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে। এসময় দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার প্রয়াস চালান বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।

গত ১২ বছরে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। শেখ হাসিনার আজ নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বে অগ্রগতির রোল মডেল। মন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ তথা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তুলতে ডিজিটাল দক্ষতাসম্পন্ন মানবসম্পদ তৈরি করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বঙ্গবন্ধু এবং বাংলার সংস্কৃতি অবিচ্ছেদ্দ্য উল্লেখ করে বলেন, বঙ্গবন্ধু কেবল বাংলার নয় বঙ্গবন্ধু সারা বিশ্বে ৩৫ কোটি বাংলা ভাষাভাষী মানুষের অহংকার।

#

শেফায়েত/পরীক্ষিৎ/জুলফিকার/কামাল/রেজ্জাকুল/আসমা/২০২১/১৩২০ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী নম্বর : ১৫২১

ইতালিতে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন

ইতালি (রোম), ২৭ মার্চ :

ইতালির রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে গতকাল মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী যথাযথ মর্যাদা ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ ও প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও বার্তা সম্প্রচার করা হয়। রাষ্ট্রদূত মোঃ শামীম আহসান স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। আমন্ত্রিত বিদেশি অতিথি, কূটনৈতিক কোরের সদস্য এবং প্রবাসী বাংলাদেশি নেতৃবৃন্দের অনলাইন উপস্থিতিতে রাষ্ট্রদূত দূতাবাসে সম্প্রতি স্থাপিত ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’ এর উদ্বোধন করেন।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন ইতালিতে নিযুক্ত হলি সি এর অ্যাপোস্টলিক নুনসিও ও কূটনীতিক কোরের ডিন মনসাইনিয়র এমিল পল সেরিং, বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত এনরিকো নুনজাতা, রোমে জাতিসংঘের সংস্থাসমূহে নিযুক্ত থাইল্যান্ডের স্থায়ী প্রতিনিধি থানাওয়াত তিয়েনসিন, রোমে ভারতীয় দূতাবাসের মিশন উপপ্রধান নীহারিকা সিং এবং ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া অধিদপ্তরের প্রধান কাউন্সেলর জিয়ানপাওলো নেরি।

আলোচকগণ বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান এবং বিগত ৫০ বছরে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, নারী ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অভাবনীয় সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এছাড়াও তাঁরা বঙ্গবন্ধুর কর্মময় জীবনের ওপর আলোকপাত করেন এবং দূতাবাসে স্থাপিত ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’ এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর দর্শন ও অসাধারণ জীবন সম্পর্কে দর্শনার্থীরা ও নতুন প্রজন্ম জানার সুযোগ পাবেন বলে উল্লেখ করেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে শুভেচ্ছা জানিয়েছে লা সাপিয়াঞ্জা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগও।

উল্লেখ্য, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ইতালির রাষ্ট্রপতি ও সার্বিয়ার রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে এবং মন্টেনিগ্রোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা বার্তা প্রেরণ করেছেন। রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার মহাপরিচালকও বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা বার্তা প্রেরণ করেছেন।

রাষ্ট্রদূত মোঃ শামীম আহসান তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান, সকল শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। একই সাথে তিনি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে বিদেশি বন্ধুদের ভূমিকার কথাও কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, যুদ্ধ—বিধ্বস্ত অবস্থা থেকে স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ গড়ার জন্য বঙ্গবন্ধু কাজ শুরু করেছিলেন কিন্তু অল্প সময়ে তিনি এ কাজ সমাপ্ত করতে পারেননি। বর্তমানে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ বৈশ্বিক পরিমন্ডলে একটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে মর্মে রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ মুজিববর্ষে উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরিত হওয়ার চুড়ান্ত সুপারিশ লাভ করেছে এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা অর্জনের পথে দেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।
#

পরীক্ষিৎ/জুলফিকার/কামাল/রেজ্জাকুল/আসমা/২০২১/১৩২৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর : ১৫১৯

লিসবনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপিত

লিসবন, ২৭ মার্চ :

পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য উৎসাহ ও উদ্দীপনায় গতকাল ভার্চুয়ালি বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন করা হয়।

পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচির সূচনা করেন।

অতিথিদের মধ্যে পর্তুগিজ পার্লামেন্টের সদস্য পাওলো নেভেস এবং লিসবনের বাংলাদেশি অধ্যূসিত পৌর এলাকা সান্তা মারিয়া মাইওর—এর কাউন্সিল সভাপতি মিগুয়েল কোয়েলহো এ অনলাইন উদ্‌যাপন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।
#

পরীক্ষিৎ/জুলফিকার/কামাল/রেজ্জাকুল/আসমা/২০২১/১৩০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর : ১৫১৮

জাতির পিতার সাহসী প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরই এনে দিয়েছে স্বাধীনতা –  শিল্পমন্ত্রী

ঢাকা, ১৩ চৈত্র (২৭ মার্চ) :

শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাহসী প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর এনে দিয়েছে বাঙালির স্বাধীনতা। প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরের কারণেই শেখ মুজিবুর রহমান হয়েছেন বাঙালির নেতা। বঙ্গবন্ধু ছেলেবেলা থেকেই প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি আজীবন দেশের মানুষের জন্য সংগ্রাম করেছেন। জাতির পিতা বাংলাদেশকে পাকিস্তানি শাসন—শোষণ থেকে মুক্ত করেছেন, প্রতিষ্ঠা করেছেন শোষণমুক্ত বাংলাদেশ।

শিল্প মন্ত্রণালয় আয়োজিত স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী: স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনাই সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী এসব কথা বলেন। শিল্পসচিব কে এম আলী আজমের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ ইয়াহিয়া এবং বিসিআইসি’র চেয়ারম্যান মোঃ এহছানে এলাহী। গতকাল শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সেমিনার আয়োজন করা হয়।

নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, শিল্পমন্ত্রী
নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, শিল্পমন্ত্রী

শিল্পমন্ত্রী আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু’র কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ব দরবারে প্রমাণ করেছেন, করোনা মহামারির মধ্যেও একটি দেশের কিভাবে অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে হয়। দেশ পরিচালনায় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব প্রমাণ করেছে বিশ্বের মধ্যে তাঁর নেতৃত্বই সেরা নেতৃত্ব। আমাদেরকে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর কন্যার দেখানো উন্নয়নের রাজনীতিকে ধরে রাখতে হবে।

শিল্প প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারিকে পুঁজি করে একটি সিন্ডিকেট দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করছে, কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে, এদের ব্যাপারে সর্তক থাকতে হবে। দেশে শক্তিশালী সিন্ডিকেট রয়েছে, ভাঙতে না পারলে, দেশের উন্নয়ন সম্ভব হবে না। আজ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে সকল সূচকে আমরা এগিয়ে। দেশে ভারি শিল্পকারখানা স্থাপিত হচ্ছে, শিল্পপার্ক হচ্ছে, অর্থনৈতিক জোন তৈরি হচ্ছে। শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান বিসিক ও এসএমই ফাউন্ডেশন শিল্প উদ্যোক্তা তৈরি করছে।

এছাড়া, বিটাক ও এনপিও সরকারি—বেসরকারি শিল্প—প্রতিষ্ঠানে কারিগরি সহায়তাসহ প্রশিক্ষণ দিচ্ছে এবং উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০৪১ সালে শিল্পসমৃদ্ধ উন্নত আয়ের দেশে পরিণত করতে হলে শিল্প মন্ত্রণালয়কে আরো দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছে হবে।
এর আগে মন্ত্রণালয় প্রাঙ্গণে মন্ত্রী বঙ্গবন্ধু’র প্রতিকৃতিতে ও লবিতে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু’র ম্যুরালে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন এবং বঙ্গবন্ধু কর্ণার উদ্বোধন করেন।

#

জাহাঙ্গীর/পরীক্ষিৎ/জুলফিকার/কামাল/আসমা/২০২১/১৩০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর : ১৫১৭

চীনের কুনমিংয়ে মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতীয় দিবস উদ্যাপন

কুনমিং (চীন), ২৬ মার্চ :

বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, কুনমিং, চীনে মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতীয় দিবস আজ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপন করা হয়।

কনস্যুলেট এর কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপস্থিতিতে কনসাল জেনারেল এ এফ এম আমিনুল ইসলাম কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে এ দিবসের কর্মসূচির সূচনা করা হয়। এরপর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের শাহাদতবরণকারী সদস্যদের ও শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের রুহের মাগফেরাত এবং দেশ ও জাতির উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রেরিত বাণী পাঠ করা হয়। কনসাল জেনারেল কৃতজ্ঞচিত্তে এবং গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেশ ও জাতির কল্যাণে অসামান্য অবদানের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা সমগ্র জাতিকে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে এবং তাঁর নির্দেশে পরিচালিত রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং জাতীয় দিবস উপলক্ষে সোফিটেল হোটেল, কুনমিংয়ে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

পিপলস কংগ্রেস অভ্ ইউনান এর স্ট্যান্ডিং কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান খর চবর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। কুনমিংস্থ বিভিন্ন দেশের কনসাল জেনারেলগণ, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, সিনিয়র সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও বিভিন্নস্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

#

আমিনুল/নাইচ/রেজুয়ান/মোশারফ/সেলিম/২০২১/২২৩০ ঘণ্টা